কী কিছু কী বলবেন?




কী? কিছু বলবেন বোধয়?
ভুলভাল শুনতেও পারি - তবে
যেভাবে পথরোধ করে দাঁড়ালে জীবনের -
ভুলে গিয়ে প্রতিটি মুহুর্ত যা ছিলো দু'জনার।
এখন ভেবে নিতে পারি - বজ্রকঠিন স্বরে কিছু বলতে ; থামতেও পারো তুমি।
যা অলিকভাবনা আমার -
আসলে
তুমি এখানে ওখানে ছোটাছুটি করতে পারো।
যেতে পারো যারতার কাছে-
শুধু আমার বেলায় তোমার সময় থাকেনা - অবাঞ্চিত করে রেখে মুঠোফোনে।

ভাবছো জিতেই গেছো - হুম তা ভাবতে পারো।
যে তুমি দেখোনি  অপেক্ষা - সারাটা জীবন।
আজ সে তোমার জন্য একটা উন্মাদ ছেলে,
রক্তলাল চোখে একটা কবিতা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, ঠায়।
যে তোমার পরিচয় ছিলোনা অবহেলা শব্দের সাথে,
সে তোমায় ভালোবেসে অবহেলার সাথে একটা জীবন
ক্যাকটাস গাছটার সাথে থেমে আছে বহুদিন-

আসলে উদ্ভিদবিশারদ তুমি বুঝতে পারোনা
মানুষ যখন গাছ হয়ে যায় তখন প্রকৃতি....



ধ্যাতছাই.. ধুরর ছাই - এ-ই যাহঃ

আপনার নামীদামী বান্ধবীরা রাগ করে ফেলবে এখন!

এ-ই রে সেরেছে আমি আপনাকে

তুমি করে বলে ফেলেছি নেহাত!

ক্ষমা করবেন-

রাস্তার ছেলে আমি শিখে নিতে পারিনি

কখন কাকে তুমি

কখন কাকে আপনি করে বলতে হয়,

এ-ই যাহ - বেশি কথা বলাটা অভ্যাস হয়ে গেছে -

তাই বকবক করেই যাচ্ছি -
দুঃখিত ক্ষমা করবেন-নীচু জাত - 

এবার -
কী কিছু কী বলবেন?
হাতঘড়িটা দেখে নিন -
সময় আদিগন্ত বিস্তৃত -


আপনার পরিচিত মাহবুবুর রহমান -উনি শুনেছি বৃন্দাবন এক্সপ্রেসের সাথে যাচ্ছে বহুগামিতায়, সমস্যা কী বলেন,  মাতৃভাণ্ডার অঞ্চলের মানুষ সে -দইয়ে ভেজাল মেশানোটা অভ্যাস তার-ওহ আপনি তো দই- টই তেমন আর খান না -তাহলে আর সমস্যা কোথায়?


যেতে পারেন -
বেশি কথা বলে ফেললাম আবার -

থেমে যাবার দরকার নেই -
যেভাবে থেমেছি আমি।
আপনি এগুতে পারেন -
যা বলবেন বলে থেমেছেন-
যা বলবেন বলে আমি ভেবে নিয়ে
জিজ্ঞেস করেছি
কী কিছু কী বলবেন?
সব মুছে ফেলুন -
আমি যেভাবে পারি -
সেভাবে আপনি বোঝেন না!
আপনি যেভাবে বোঝেন
সেভাবে জাতীয় শোক দিবসের নামে
যে কিছু ভন্ড হয়ে ওঠে অবতার -
প্রধানমন্ত্রীর মতন আমিও পারিনা বোঝাতে।

তারচেয়ে বড় হয়ে যান আপনি-
তারচেয়ে লিখতে থাকুন আত্মহত্যাটা সবাই পারেনা -
তারপর কাথা মুড়ি দিয়ে শুনে নিন
মেঘ থমথম করে -

এইরে সেরেছে - খিলক্ষেত বাজারে জমে থাকা পানি
গিয়ে লাগলো মামার কাপড়ে -
কী কিছু কী বলবেন? বাক্যটা মুছে ফেলে এগুতে পারেন!
আমার কথা থাক - ভালো থাকবেন!   

Comments